নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির মাসব্যাপী ডেঙ্গুরোধ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ জুন সকাল থেকে রাজধানীর মতিঝিল, শাহবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযানে নতুনধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাশেম মোল্লা, কাউসার বেপারী প্রমুখ নেতৃত্ব দেন। এসময় গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে মোমিন মেহেদী বলেন, নির্মম হলেও সত্য যে, জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ সবসময় মশার সাথে যুদ্ধ করেই জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেছে।
বিএনপি সরকারের সময়ও মানুষকে মশার সাথে যুদ্ধ করতে করতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হতে হচ্ছে, অনেকের জীবনও চলে যাচ্ছে। নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি বাংলাদেশের একমাত্র রাজনৈতিক প্লাটফর্ম, যে রাজনৈতিক প্লাটফর্মটি ক্ষমতার জন্য নয়, জনতার জন্য নিবেদিত থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কর্মসূচি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বাজেটটা অতিতের মতই অপরিকল্পিত বাজেট। যে কারণে নিশ্চিত হয়ে বলতেই পারি যে, জাতিকে অসুস্থ্য রেখে কেবলমাত্র আমলাদের ভালো থাকাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এবার বাজেটে। বাংলাদেশ বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীরা দেশ ধ্বংস করার এজেন্ডা নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদে এসেছে, তারা বাজেট সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখে না। বরং তারা আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি, ধর্ষণ, খুন, সহিংসতাকে দেখেও না দেখার, জেনেও না জানার অভিনয় করছে। এতে করে দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি হুমকির মধ্যে পরছে যখন তখন তারা তাদের গাড়ি-বাড়ি-কাড়িকাড়ি টাকা কামানোতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বাজেটটা অতিতের মতই অপরিকল্পিত বাজেট। যে কারণে নিশ্চিত হয়ে বলতেই পারি যে, জাতিকে অসুস্থ্য রেখে কেবলমাত্র আমলাদের ভালো থাকাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এবার বাজেটে। বাংলাদেশ বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীরা দেশ ধ্বংস করার এজেন্ডা নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদে এসেছে, তারা বাজেট সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখে না। বরং তারা আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি, ধর্ষণ, খুন, সহিংসতাকে দেখেও না দেখার, জেনেও না জানার অভিনয় করছে। এতে করে দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি হুমকির মধ্যে পরছে যখন তখন তারা তাদের গাড়ি-বাড়ি-কাড়িকাড়ি টাকা কামানোতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।
এসময় নতুনধারার নেতৃবৃন্দ বলেন, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই দেশ ও জনবিরোধী-স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ। সেই ষড়যন্ত্রে কারণে আজ বন্দর, সেন্টমার্টিন এমনকি বাণিজ্য খাতটা পর্যন্ত আমেরিকাসহ দেশবিরোধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করছে; তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধীচক্র বলেই মার্কিনী চুক্তি বহাল রেখে বাজেট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছেন। মধ্যিখানে জামায়াত-এনসিপি মিলেমিশে সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে, ছাত্র-যুব-জনতাকে দালাল ট্যাগ লাগিয়ে ক্রমশ সারাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করছে।
উল্লেখ্য, এই কর্মসূচি রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও থানায় নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির নেতৃবৃন্দ বাস্তবায়ন করবে।

আপনার মতামত লিখুন :