বান্দরবানে স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজ চাষে মেটাতে পারে চাহিদা

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারি ২০২০

রিমন পালিত: বান্দরবান প্রতিনিধি: আমাদের দৈনন্দিন রান্নার গুরুত্বপুর্ণ একটি উপাদান হলো পেঁয়াজ। পেঁয়াজ ছাড়া যেনো রান্না চলেই না। সেই পেয়াঁজ এখন প্রতি কেজি ৮০-১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের চাহিদা থাকায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে দেশে চাহিদা মেটানো হচ্ছে। চলমান এই সমস্যা থেকে সমাধান পেতে হলে স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজ চাষে চাষীদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজ চাষে এগিয়ে আসলে পেঁয়াজের চাহিদা মিটানো সম্ভব। সেই সাথে চাষীদের আর্থিক লাভবানও হবে। ভালো উৎপাদন সম্ভাবনা থাকার সত্ত্বেও কোন উদ্যোগ নেয় বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর।

 

এই বিষয়ে বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমি সবজি চাষিদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, প্রতি বছর মৌসুমি সবজি ও শস্য চাষ করা হয়। বাণ্যিজিকভাবে কোন পেঁয়াজ চাষ করে না। তবে নিজেদের চাহিদা মেটানোর জন্য নদীর চড়ে বা জমিতে অল্প কিছু পেঁয়াজ আবাদ করা হয়। বর্তমানের চাহিদাকে ভেবে পেঁয়াজ আবাদের জন্য চাষীদেরকে প্রশিক্ষণ ও আগ্রহের উদ্যোগ নিলে পেঁয়াজ চাষে এগিয়ে আসবে এখানকার চাষীরা। এতে স্থানীয়ভাবেও পেঁয়াজের চাহিদা মিটানো সম্ভব। পেঁয়াজ চাষের ব্যাপারে বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কোন পদক্ষেপ বা পরামর্শ তারা এখনো পাননি।

 

বান্দরবান কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম নাজমুল হক বলেন, বান্দরবানে গত বছরে স্থানীয়ভাবে ২৭৭ মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। এবছর যেহেতু সারাদেশে পেঁয়াজের সংকট হয়েছে। আগামীতে বান্দরবান জেলায় পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে একটি জাত উদ্ভাবন করেছে সারা বছর পেঁয়াজ চাষ করা যাবে বারি পেঁয়াজ পাঁচ। এই বার মাসের পেঁয়াজ পাঁচ যেখানে যেখানে আবাদ করা যায় সেখানে চাষীদের মাধ্যমে বান্দরবান জেলায় আবাদ করার একটা পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। এতে স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :